তামাক নিয়ন্ত্রণে নতুন দাবি, বিধিমালা নিয়ে যা বললেন এমপিরা
তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে এর বিধিমালা প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন তামাকবিরোধী নারী ফোরামের সদস্যরা। তাদের দাবি, আইনের বিধান কার্যকর করতে দ্রুত বিধিমালা প্রণয়ন জরুরি।
রোববার বিকালে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে নারী মৈত্রী আয়োজিত ‘সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন ২০২৬: প্রত্যাশা ও অর্জন’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় বক্তারা এ দাবি জানান।
সভায় বক্তারা বলেন, সংশোধিত আইন তামাক নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তবে আইনটি কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য দ্রুত বিধিমালা প্রণয়ন প্রয়োজন।
সভায় জানানো হয়, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে তামাক ব্যবহারের হার ৩৫ দশমিক ৩ শতাংশ। গ্লোবাল অ্যাডাল্ট টোব্যাকো সার্ভে-২০১৭ অনুযায়ী, দেশে প্রায় ৩ কোটি ৭৮ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তামাক ব্যবহার করেন। টোব্যাকো অ্যাটলাস ২০২৫-এর তথ্য অনুযায়ী, তামাক ব্যবহারজনিত রোগে দেশে প্রতিবছর প্রায় ২ লাখ মানুষ মারা যান।
নেওয়াজ হালিমা আরলি এমপি বলেন, ‘সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়নের মাধ্যমে সরকার নীতিগত ভিত্তি তৈরি করেছে। এখন এ উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে দ্রুত বিধিমালা প্রণয়ন করা প্রয়োজন।’
ফরিদা ইয়াসমিন এমপি বলেন, বিধিমালা প্রণয়নের সময় তামাকশিল্পের প্রভাব থেকে জনস্বাস্থ্য নীতি সুরক্ষা, তামাকজাত পণ্যের নিয়ন্ত্রণ ও তামাক ছাড়তে সহায়তার বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।
হেলেন জেরিন খান এমপি বলেন, ই-সিগারেট ও হিটেড টোব্যাকোসহ নতুন ধরনের নিকোটিন পণ্যের নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
সেলিনা সুলতানা এমপি বলেন, নির্ধারিত ধূমপান এলাকার সুযোগ যাতে তামাক কোম্পানিগুলো অপব্যবহার করতে না পারে, বিধিমালায় সে বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা থাকা প্রয়োজন।
//রুশা//
