গ্রেপ্তারের ক্ষমতা পাচ্ছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন
‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬’-এর খসড়ায় পাঁচ জায়গায় পরিবর্তন এনেছে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। যাচাই-বাছাই শেষে সংশোধিত আকারে বিলটি সংসদে পাসের সুপারিশ করেছে কমিটি। বুধবার (২ আগস্ট) জাতীয় সংসদে এই সংক্রান্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হবে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে গ্রেপ্তারের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, কমিশন কর্তৃক তদন্তকালে কোনো আমলযোগ্য অপরাধের ঘটনা দেখতে পেলে এবং ওই ঘটনায় থানায় কোনো মামলা থাকলে আসামিকে গ্রেপ্তার করে থানায় সোপর্দ করতে পারবে কমিশন। কমিশন চাইলে যেকোনো ঘটনার তদন্তও করতে পারবে। সেই তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হবে।
জাতিসংঘের নির্যাতনবিরোধী প্রটোকলের আলোকে জাতীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাপনা ইউনিট (এনপিএম) প্রতিষ্ঠা করা হবে। এই এনপিএম আটককেন্দ্র, হাজতখানা ও সেফ হোম পরিদর্শন করতে পারবে। এই জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো অনুমতির প্রয়োজন হবে না। খসড়া বিলে অনুমতির বিধান থাকায় তা নিয়ে সমালোচনা উঠেছিলো।
সংসদীয় স্থায়ী কমিটি কমিশন নিয়োগের ক্ষেত্রে একজন নারী ও একজন নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিকে রাখা বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করেছে।
