পুরনো বই থেকে তোষক-মেট্রেস, নীলক্ষেতে কী নেই!
নীলক্ষেতের ব্যস্ত রাস্তায় পা রাখলেই চোখে পড়বে সারি সারি দোকান। কোথাও ফুটপাতজুড়ে বইয়ের স্তূপ, কোথাও দোকানের সামনে বই হাতে ক্রেতাদের ভিড়। একপাশে চলছে দরদাম, অন্যপাশে বই খুঁজতে ব্যস্ত শিক্ষার্থীরা। একটু এগোলেই আবার চোখে পড়বে ইলেক্ট্রনিক্স সামগ্রী, নিত্যব্যবহার্য পণ্য কিংবা তোষক-মেট্রেসের দোকান। অর্থাৎ বইয়ের বাজার হিসেবে পরিচিত নীলক্ষেতের ভেতরে ঢুকলে মিলবে আরও অনেক কিছুর দেখা।
পুরনো বইয়ের বিশাল সংগ্রহ
নীলক্ষেতের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ পুরনো বই। পাঠ্যবই, একাডেমিক বই, উপন্যাস, গল্প, কবিতা ও রেফারেন্স বই—হরেক রকম বই সাজানো থাকে দোকানে। অনেক সময় নতুন বইয়ের তুলনায় কম দামেও পাওয়া যায় পুরনো বই। তাই বই খুঁজতে শিক্ষার্থীদের ভিড় লেগেই থাকে।
পাইরেটেড বইও মেলে
পুরনো বইয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন বইয়ের পাইরেটেড কপিও পাওয়া যায়। বিশেষ করে বিদেশি লেখকদের বইয়ের কম দামের কপি দেখা যায়। তবে কপিরাইট আইনের বিষয়টি মাথায় রেখে এসব বই কেনার ক্ষেত্রে সচেতন থাকা জরুরি।
বইয়ের বাইরে গ্যাজেটও
একটু এদিক-ওদিক হাঁটলেই চোখে পড়ে চার্জার, কেবল, ছোটখাটো গ্যাজেটসহ নানা ইলেক্ট্রনিক্স সামগ্রী। পাশাপাশি রয়েছে দৈনন্দিন প্রয়োজনের বিভিন্ন পণ্যের দোকান।
ক্ষুধা মেটাতেও ব্যবস্থা
ঘণ্টার পর ঘণ্টা বই ঘাঁটাঘাঁটি কিংবা কেনাকাটার পর ক্ষুধা লাগলে আশপাশে মিলবে কম দামের খাবার। শিক্ষার্থী ও স্বল্প বাজেটের মানুষের আনাগোনায় এসব খাবারের দোকানও থাকে বেশ জমজমাট।
তোষক-মেট্রেসও মিলবে
আরেকটু এগোলেই পাওয়া যাবে মেট্রেস, তোষক ও জাজিম। শিক্ষার্থী, ব্যাচেলর কিংবা নতুন বাসায় ওঠা মানুষের প্রয়োজন মেটাতে এসব পণ্যের দোকানও রয়েছে।
সব মিলিয়ে নীলক্ষেত যেন শুধু বইয়ের বাজার নয়—ব্যস্ত রাস্তা, দোকানের ভিড়, দরদাম আর বিচিত্র পণ্যের সমন্বয়ে তৈরি এক আলাদা জগৎ। বই কিনতে এসে তাই অনেকেই প্রয়োজনীয় আরও অনেক কিছু নিয়ে ফিরতে পারেন।
//আরএস//
