একঘেয়ে সম্পর্কে ভালোবাসা ফেরাতে পারে ‘রিলেশনশিপ ডিটক্স’
প্রতিদিনের ‘গুড মর্নিং’, সারাদিনের ফোন-চ্যাট আর রাতে ভিডিও কল—সম্পর্কে সব সময় যোগাযোগ থাকলেই কি ভালোবাসা বাড়ে? কখনো কখনো উল্টো অতিরিক্ত যোগাযোগই তৈরি করতে পারে মানসিক ক্লান্তি। আর সেখান থেকেই সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের আলোচনায় উঠে এসেছে ‘রিলেশনশিপ ডিটক্স’।
রিলেশনশিপ ডিটক্স মানে ব্রেকআপ নয়, সঙ্গীর কাছ থেকে পালিয়ে যাওয়া নয়। বরং সচেতনভাবে নিজের জন্য কিছুটা সময় বের করে নেওয়া। এই সময় ফোন, মেসেজ বা দেখা করার পরিমাণ কিছুটা কমিয়ে নিজের অনুভূতি, প্রয়োজন ও মানসিক অবস্থাকে বোঝার চেষ্টা করা হয়। যোগাযোগ পুরোপুরি বন্ধ না করেও ব্যক্তিগত পরিসর তৈরি করা সম্ভব।
প্রতিদিনের একই রুটিন, একই ধরনের কথাবার্তা, প্রত্যাশা আর সারাক্ষণ সংযুক্ত থাকার চাপ অনেক সময় মানসিক অবসাদ তৈরি করতে পারে। এতে নিজের শখ, বন্ধু কিংবা পরিবারের জন্য সময় বের করা কঠিন হয়ে পড়ে।
সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা, বারবার ঝগড়া, মানসিক ক্লান্তি বা নিজের পরিচয় হারিয়ে ফেলার অনুভূতি দেখা দিলে ছোট্ট একটি বিরতি সম্পর্কে ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে পারে।
তবে এই বিরতি নেওয়ার আগে সঙ্গীর সঙ্গে সময়সীমা ও প্রত্যাশা নিয়ে পরিষ্কারভাবে কথা বলা জরুরি। ইচ্ছে করে যোগাযোগ বন্ধ করা, সাইলেন্ট ট্রিটমেন্ট দেওয়া কিংবা সঙ্গীকে উপেক্ষা করা ডিটক্সের উদ্দেশ্য নয়।
একই ছাদের নিচেও নিজের জন্য সময় রাখা সম্ভব—বই পড়া, হাঁটতে বের হওয়া, সিনেমা দেখা কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো হতে পারে এর অংশ। কারণ ভালোবাসার পাশাপাশি সুস্থ সম্পর্কেও প্রয়োজন ব্যক্তিগত পরিসর।
//আরএস//
