জামালপুরে এক কূপে গ্যাস, খনন হবে আরও দুইটি
জামালপুরের মাদারগঞ্জে দেশের ৩০তম গ্যাসক্ষেত্র জামালপুর-১-এর কূপ খনন শেষ হয়েছে। প্রাথমিক হিসাবে, এ কূপ থেকে প্রতিদিন ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব হবে। একই এলাকায় আরও দুটি কূপে গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ায় সেগুলো খননের প্রস্তুতিও শুরু করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রডাকশন কোম্পানি (বাপেক্স)।
বাপেক্সের প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক জানান, নতুন কূপ দুটি ২৫০০ মিটার গভীর পর্যন্ত খনন করা হবে। গ্যাসের মজুত ও উৎপাদন সম্ভাবনা যাচাইয়ের পর তিনটি কূপ থেকেই গ্যাস উত্তোলন করে জাতীয় সঞ্চালন লাইনে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
বালিজুড়ি ইউনিয়নের তারতাপাড়ায় জামালপুর-১ কূপটি প্রায় ২ হাজার ৬০০ মিটার গভীর পর্যন্ত খনন করা হয়। ১ হাজার ৪৪১ থেকে ১ হাজার ৪৪৫ মিটার গভীরতায় গ্যাসসমৃদ্ধ স্তর পাওয়া গেছে। সেখানে প্রাথমিকভাবে ৭ দশমিক ২২ বিসিএফ গ্যাসের মজুত পাওয়া গেছে বলে বাপেক্স জানিয়েছে। কূপটি খননে ব্যয় হয়েছে প্রায় ১৬৮ কোটি টাকা।
নতুন কূপ দুটি হলো মাদারগঞ্জের গুনারিতলা ইউনিয়নের সিংদহ এলাকায় জামালপুর-২ এবং চরপাকেরদহ ইউনিয়নের নব্বইচরে জামালপুর নর্থ-১। এরই মধ্যে কূপ দুটির খননের প্রস্তুতিমূলক কাজ শুরু হয়েছে।
তবে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহের আগে মাদারগঞ্জের তারতাপাড়া থেকে সরিষাবাড়ীর তারাকান্দি যমুনা সার কারখানা পর্যন্ত প্রায় ২২ কিলোমিটার পাইপলাইন নির্মাণ করতে হবে।
এদিকে নোয়াখালীর সেনবাগের সুন্দলপুর-৪ কূপেও গ্যাসের সন্ধান পেয়েছে বাপেক্স। প্রাথমিক পরীক্ষায় সেখানে দৈনিক প্রায় ৭০ লাখ ঘনফুট গ্যাস উত্তোলনের সম্ভাবনা দেখা গেছে। বর্তমানে কূপটিতে ড্রিল স্টেম টেস্ট চলছে। পরীক্ষা শেষে মজুত ও উৎপাদনের চূড়ান্ত পরিমাণ জানা যাবে।
/শান্ত/
