কেন অস্থির সবজির বাজার?
রাজধানীর বাজারে নিত্যপণ্যের দামে এখনও স্বস্তি ফেরেনি। কোনো কোনো সবজির দাম কমলেও কয়েকটির দাম আবার বেড়েছে। অন্যদিকে মাছ, মুরগি ও ডিমের দাম বেশ কিছুদিন ধরে প্রায় একই উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। ফলে বাজারে গিয়ে স্বস্তি পাচ্ছেন না ক্রেতারা। ১৮ সেপ্টেম্বর রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
বাজারে গত সপ্তাহের তুলনায় কাঁচা মরিচ ও বরবটির দাম কেজিতে ৪০ টাকা করে বেড়েছে। কাঁচা মরিচ ১৬০ ও বরবটি ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গোল বেগুন ১৪০ টাকা, শিম ২২০ থেকে ২৩০ এবং শসা ৮০ টাকা কেজি। তবে টমেটো ১০০ টাকা ও পেঁপে ৩০ টাকা কেজিতে নেমেছে। গাজর ৮০, ঝিঙে ও করলা ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা বলছেন, আড়তে সরবরাহ ও কেনা দামের ওপর নির্ভর করেই প্রতিদিন সবজির দামে ওঠানামা হচ্ছে।
মাছের বাজারেও নেই তেমন পরিবর্তন। পাঙাশ ২৩০, তেলাপিয়া ২৬০, বড় রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ এবং পাবদা ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চিংড়ি, ট্যাংরা, বাইম, দেশি কই ও শোলের মতো মাছের দামও বেশ চড়া। মুরগি ও ডিমের দামও কমেনি। ব্রয়লার ১৯০ থেকে ২০০ টাকা, সোনালি ৩৪০ থেকে ৩৬০ এবং কালারবার্ড সোনালি ৩০০ থেকে ৩৩০ টাকা কেজি। বাদামি ডিমের ডজন ১৫০ টাকা, সাদা ডিম ১৪০ টাকা।
বিক্রেতাদের দাবি, বন্যা, অতিবৃষ্টি ও অতিরিক্ত গরমে গত কয়েক মাসে অনেক খামারে ডিম উৎপাদন ও মুরগির সংখ্যা কমেছে। এতে সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হওয়ায় দাম কমছে না। ক্রেতাদের অভিযোগ, আয় অনুযায়ী বাজারের খরচ সামলানো কঠিন হয়ে পড়ছে।
/শান্ত/
