ট্রাম্পের হুমকির পর জাতিসংঘের ভাষণ বদলালেন পেজেশকিয়ান
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘আক্রমণাত্মক’ বক্তব্যের পর নিজের প্রস্তুত করা ভাষণ পরিবর্তন করতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। ট্রাম্পের ইরানকে ‘নরকে পাঠিয়ে দেওয়ার’ হুমকির পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের কর্মকাণ্ড নিয়ে নিজের বক্তব্যের ধরনও বদলান বলে জানান তিনি।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে সাংবাদিকদের পেজেশকিয়ান বলেন, জাতিসংঘে দেওয়ার জন্য আগে থেকেই একটি ভাষণ প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে ট্রাম্প ইরানকে ‘নরকে পাঠিয়ে দেওয়ার’ বিষয়ে একটি ‘বড় সিদ্ধান্ত’ নেওয়ার কথা বলার পর সেই ভাষণ বাদ দেওয়া হয়।
পেজেশকিয়ান বলেন, ট্রাম্পের বক্তব্যের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের আচরণ এবং ইসরাইলের কর্মকাণ্ড নিয়ে নিজের বক্তব্যের ধরন পরিবর্তন করতে হয়েছে।
ট্রাম্পের বক্তব্যের সমালোচনা করে ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘তারা ইরানকে ধ্বংস করতে পারবে না। ইরান এমন একটি দেশ, যার শিকড় ইতিহাসের গভীরে রয়েছে।’
জাতিসংঘে দেওয়া বক্তব্যে পেজেশকিয়ান আরও বলেন, ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকাণ্ডের শিকার ইরান। তার অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালিকে ব্যবহার করে ইরানের ওপর আগ্রাসন চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে।
তবে একই সঙ্গে আলোচনার দরজাও খোলা রাখার কথা জানান তিনি। পেজেশকিয়ান বলেন, ইরান সংলাপ, কূটনীতি ও আলোচনার জন্য প্রস্তুত, তবে শক্তির ভাষা মেনে নেবে না।
নিউইয়র্ক সফরে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী ও সুইজারল্যান্ডের প্রেসিডেন্টসহ বিভিন্ন দেশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের কথাও জানান পেজেশকিয়ান।
//রুশা//
