মক্কা চুক্তির ৩ দেশের সেনাপ্রধানদের জরুরি বৈঠক
সংগৃহীত ছবি
ইয়েমেনে চলমান লড়াইয়ের মধ্যে সৌদি আরবকে সহযোগিতার কৌশল নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সামরিক প্রধানরা। মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই খবর প্রকাশ করেছে।
ইতোমধ্যে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ, পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইশাক দার এবং তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকের পরই সামরিক প্রধানদের এই সম্মেলনের ঘোষণা আসে।
কবে এই সামরিক বৈঠক হবে কিংবা কী ধরনের প্রতিরক্ষা সহায়তা নিয়ে আলোচনা হবে তা নিশ্চিত করে জানানো হয়নি। গত ৭ আগস্ট ৩ দেশ মিলে মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছিলো। এই চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো সম্মিলিত প্রতিরোধ সক্ষমতা বাড়ানো এবং প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করা। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, ৩ দেশের যেকোনো একটির ওপর আক্রমণকে সবার ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে।
এর আগে গত ৩১ আগস্ট ইস্তাম্বুলে প্রথম কৌশলগত রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কমিটির বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন ৩ দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সামরিক প্রধানরা। ওই বৈঠকে সৌদি আরবে একটি সচিবালয় গড়ে তোলার পাশাপাশি সামরিক সম্পর্ক আরও গভীর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিলো।
এদিকে বৃহস্পতিবারের বৈঠকে মক্কাসহ সৌদি আরবের বিভিন্ন বেসামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনায় হুতিদের সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয়। বৈঠকে উল্লেখ করা হয়, জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নিজেদের সুরক্ষার পূর্ণ অধিকার সৌদি আরবের রয়েছে।
অন্যদিকে, এর মধ্যেই ইয়েমেন থেকে নতুন করে হামলার খবর জানিয়েছে সৌদি আরব। বৃহস্পতিবার তায়েফ ও ইয়ানবুর দিকে ধেয়ে আসা ৬টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে সফলভাবে ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি জানান, হুতিদের পক্ষ থেকে আসা এই ধরনের আগ্রাসী পদক্ষেপ দৃঢ়ভাবে মোকাবিলা করা হবে।
//আইই//
