৪৫ হাজার তাঁত কারখানা বন্ধ, বেকার ৯৬ হাজার শ্রমিক
বিদ্যুৎ সংকট, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি ও কাপড়ের চাহিদা কমে যাওয়ায় সিরাজগঞ্জের ৯ টি উপজেলায় প্রায় ৪৫ হাজার তাঁত কারখানা বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। এতে অন্তত ৯৬ হাজার ২৫০ শ্রমিক বেকার হয়ে বসে আছেন।
শ্রমিকদের ভাষ্য, ঈদের আগে কাপড়ের চাহিদা বাড়লে অনেক মালিক বন্ধ তাঁত কারখানা আবার চালু করেন। চাহিদা কমে গেলে এবং উৎপাদন ব্যয় বেড়ে গেলে সেগুলো আবার বন্ধ হয়ে যায়। গত ৪/৫ বছর ধরে এই অবস্থা চলছে। ঈদ এলে কিছু চালু হয়, বাকিগুলো বন্ধই থাকে সবসময়।
বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের ৪টি বেসিক সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, সিরাজগঞ্জ সদর, বেলকুচি, উল্লাপাড়া, কামারখন্দ, এনায়েতপুর, কাজিপুর, রায়গঞ্জ, তাড়াশ ও শাহজাদপুর উপজেলায় মোট তাঁত কারখানা রয়েছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৭০০টি। এর মধ্যে সিরাজগঞ্জ সদরের ৩২ হাজার ১৫০টি তাঁত কারখানার মধ্যে ১০ হাজার, বেলকুচির ৭০ হাজারের মধ্যে ১৫ হাজার, উল্লাপাড়ার ২৫ হাজার ২০০টির মধ্যে ৩ হাজার ৫০০ এবং শাহজাদপুরের ৩০ হাজার ৩৫০টির মধ্যে ১০ হাজার তাঁত কারখানা বর্তমানে বন্ধ রয়েছে।
প্রতি তাঁত কারখানায় গড়ে ২ দশমিক ৫ জন শ্রমিক কাজ করেন। এই হিসাবে বন্ধ থাকা তাঁতের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত আনুমানিক ৯৬ হাজার ২৫০ শ্রমিক বর্তমানে বেকার হয়ে বসে আছেন। তাঁত মালিক ও শ্রমিকরা জানান, তাদের অনেকে অটোরিকশা চালানো, কৃষিকাজ, হোটেলের কাজসহ বিভিন্ন পেশায় চলে যাচ্ছেন।
//ইমরান//
