রাতে ঘুম আসে না? ঘাটতি হতে পারে যে ভিটামিনগুলোর
রাত গভীর হলেও বিছানায় চোখের পাতা এক করতে পারছেন না? এপাশ-ওপাশ করেই কেটে যাচ্ছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা? ব্যস্ততা, মানসিক চাপ কিংবা অনিয়মিত জীবনযাত্রার পাশাপাশি শরীরে প্রয়োজনীয় কিছু ভিটামিনের ঘাটতিও ঘুমের ব্যাঘাতের কারণ হতে পারে। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন গড়ে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন ঘুম প্রয়োজন। তাই ঘুমের সমস্যায় অপ্রয়োজনীয় ওষুধের ওপর নির্ভর না করে খাদ্যাভ্যাস ও পুষ্টির দিকে নজর দেওয়া জরুরি।
রাতের ঘুম কেড়ে নেয় যেসব ভিটামিনের ঘাটতি:
শরীরের অভ্যন্তরীণ স্বাভাবিক ছন্দ বজায় রাখতে কিছু প্রয়োজনীয় ভিটামিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ভিটামিন ডি: হাড় মজবুত করার পাশাপাশি এটি ভালো ঘুমের পথ সুগম করে। ঘাটতি পূরণে রোদের আলো ছাড়াও ডিম, দুধ, সামুদ্রিক মাছ ও তাজা ফলের রস থেকে এটি পাওয়া যায়।
ভিটামিন ই: কোষ সুস্থ রাখা ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি ঘুমের গুণগত মান বাড়াতেও সহায়তা করে। কাঠবাদাম, চিনাবাদাম, পালং শাক, ব্রকলি ও টমেটো ভিটামিন ই-এর চমৎকার উৎস।
ভিটামিন সি: শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে এটি শরীরের ক্লান্তি দূর করে ভালো ঘুমে সহায়তা করে। কমলা, লেবু, পালং শাক ও ফুলকপি এর উৎস।
ভিটামিন বি-৬: রাতে গাঢ় ঘুম নিশ্চিত করতে এটি কাজ করে। কলা, গাজর, আলু, ডিম, চিজ, মাছ, পালং শাক ও গোটা শস্যদানায় পাওয়া যায়।
ভিটামিন বি-১২: মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা সচল রেখে শান্তিতে ঘুমাতে সহায়তা করে। দুধজাতীয় খাবার ও প্রাণিজ প্রোটিন এর উৎস।
অপ্রয়োজনীয় ওষুধ খেয়ে সাময়িক ঘুম আনার চেষ্টা না করে সুষম খাবার ও ভিটামিনের সঠিক ব্যবহারে নিজের ঘুম ফিরিয়ে আনুন। রাতের শান্ত ও তৃপ্তিদায়ক ঘুমই পরদিনের নতুন উদ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি সুস্থতার চাবিকাঠি।
//রুশা//
