Home - Header Banner

২৫ আশ্বিন ১৪৩৩, ২৯ রবিউস সানি ১৪৪৮, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

Home - Before Lead
After Lead
এনসিটি চুক্তিকে ‘দেশ বিক্রির চুক্তি’ বলা সস্তা ও অমূলক: বাণিজ্যমন্ত্রী

এনসিটি চুক্তিকে ‘দেশ বিক্রির চুক্তি’ বলা সস্তা ও অমূলক: বাণিজ্যমন্ত্রী

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সিলেট সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভা ও অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এ চুক্তির কারণে বন্দরে কর্মরত কেউ চাকরি হারাবেন না। নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালের দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই চুক্তিটি করা হয়েছে। সক্ষমতা বাড়লে কর্মীদের পারিশ্রমিকও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাক রপ্তানি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, চীন দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে অন্যতম প্রধান পোশাক রপ্তানিকারক। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মুক্তবাণিজ্য সুবিধা থাকায় ভিয়েতনাম কখনো কখনো বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে গেছে। পরে বাংলাদেশ আবার সেই অবস্থান ফিরে পেয়েছে। /শান্ত/

আইএমএফকে না, নাকি নতুন শর্তে হ্যাঁ?

আইএমএফকে না, নাকি নতুন শর্তে হ্যাঁ?

আগামী ১২ থেকে ১৮ অক্টোবর থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপের বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) এই বার্ষিক সভায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধি দল যোগ দিচ্ছে। কিন্তু তার ঠিক আগে ‘আইএমএফের প্রোগ্রাম ক্যান্সেল করে দিয়েছি’ - অর্থমন্ত্রীর এই এক বক্তব্যেই বাংলাদেশের নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। আইএমএফের শর্ত বাংলাদেশ মানবে না —এমন বার্তাও দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও আইএমএফের অর্থের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে দেশের নিজস্ব পুঁজিবাজার ও বন্ড মার্কেট থেকে অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনার কথা বলেছেন। কিন্তু অর্থমন্ত্রীর এই সাহসী রাজনৈতিক বার্তার সঙ্গে সরকারের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের পুরোপুরি মিল খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। মাত্র চার মাস আগে, গত জুনে, বাংলাদেশ সরকার নতুন একটি আইএমএফ-সমর্থিত কর্মসূচির জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করেছে। জুলাইয়ে আইএমএফ-এর একটি প্রতিনিধি দল ঢাকায় এসে নতুন কর্মসূচির সম্ভাব্য কাঠামো, ঋণের আকার ও সংস্কার নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে গেছে। সফর শেষে আইএমএফ স্পষ্ট করেছিলো, আলোচনা পরবর্তী মাসগুলোতেও অব্যাহত থাকবে। এরপর ১২ থেকে ১৮ অক্টোবর ব্যাংককে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপের বার্ষিক সভায় বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের অংশ নেওয়ার কথা। সভার পর বাংলাদেশে আবারও আইএমএফ-এর প্রতিনিধি দল আসার প্রস্তুতি রয়েছে। তাহলে কি সরকার নতুন ঋণ কর্মসূচি বাতিল করেছে? নাকি বাতিল বলতে অর্থমন্ত্রী পুরোনো কর্মসূচি এবং তার শর্তকে বোঝাচ্ছেন? বর্তমান তথ্য-প্রমাণ বলছে, বাংলাদেশ আইএমএফ থেকে পুরোপুরি সরে যাচ্ছে—এমন সিদ্ধান্তের চেয়ে নতুন কর্মসূচির শর্ত নিজের অনুকূলে আনার চেষ্টা করছে— এই ব্যাখ্যাই বেশি বাস্তবসম্মত। কথায় ‘না’, কাজে আলোচনার প্রস্তুতি ২০২২ সালে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও লেনদেনের ওপর চাপ বাড়ার পর বাংলাদেশ আইএমএফ-এর দ্বারস্থ হয়। ২০২৩ সালের শুরুতে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ কর্মসূচি অনুমোদিত হয়। পরে এর আকার বাড়িয়ে প্রায় ৫৫০ কোটি ডলার করা হয়। এ পর্যন্ত ওই কর্মসূচির পাঁচ কিস্তিতে প্রায় ৩৬৪ কোটি ডলার পেয়েছে বাংলাদেশ। ষষ্ঠ কিস্তি নিয়ে আলোচনা দীর্ঘ সময় আটকে ছিলো। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আবার আলোচনা শুরু হয়। এর মধ্যেই পুরোনো কর্মসূচি থেকে বেরিয়ে নতুন একটি কর্মসূচিতে যাওয়ার উদ্যোগ নেয় সরকার। গত ৩ জুন আইএমএফ জানায়, বাংলাদেশ নতুন ঋণ কর্মসূচির জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করেছে। এরপর জুলাইয়ে আইএমএফ-এর মিশন ঢাকায় এসে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে। আইএমএফ-এর ভাষ্য অনুযায়ী, সম্ভাব্য নতুন কর্মসূচির আকার, কাঠামো এবং সংশ্লিষ্ট সংস্কার নিয়ে আলোচনা হয়েছে। অর্থাৎ নতুন কর্মসূচির দরজা তখনও খোলা ছিলো। এই প্রেক্ষাপটে অর্থমন্ত্রীর ‘প্রোগ্রাম ক্যান্সেল’ বক্তব্য নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। যদি এটি নতুন কর্মসূচি বাতিলের ঘোষণা হয়, তাহলে জুনে করা আবেদন এবং জুলাইয়ে হওয়া আলোচনা কোথায় গিয়ে দাঁড়ালো, তার ব্যাখ্যা সরকারের কাছ থেকেই আসতে হবে। আর যদি এটি পুরোনো কর্মসূচি বাতিল এবং তার শর্ত থেকে বেরিয়ে আসার বক্তব্য হয়, তাহলে সরকারের বর্তমান কার্যক্রমের সঙ্গে তা অনেক বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ। কেন আইএমএফের শর্ত নিয়ে আপত্তি? অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যের রাজনৈতিক তাৎপর্য বোঝার জন্য আইএমএফ-এর সংস্কার চাওয়ার জায়গাগুলো দেখতে হবে। বাংলাদেশের সঙ্গে আইএমএফ-এর আলোচনায় চারটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো হলো- রাজস্ব আদায় বাড়ানো; ব্যাংক খাতের সংস্কার; ভর্তুকি যৌক্তিকীকরণ এবং মূল্যস্ফীতি ও সামষ্টিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা। এসবের কোনোটিই সরকারের জন্য সহজ সিদ্ধান্ত নয়। রাজস্ব বাড়াতে হলে করের আওতা বাড়াতে হবে। কর ছাড় কমাতে হবে। কর প্রশাসনে সংস্কার করতে হবে। অথচ নতুন সরকার ব্যবসা-বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের কর সুবিধা দেওয়ার পথেই এগিয়েছে। আবার ব্যাংক খাত সংস্কার করতে হলে দুর্বল ব্যাংক, খেলাপি ঋণ, মূলধন ঘাটতি ও সুশাসনের প্রশ্নে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ভর্তুকি কমাতে গেলে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানির দাম বাড়তে পারে। এতে মূল্যস্ফীতির ওপর নতুন চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। অর্থাৎ আইএমএফ-এর শর্তগুলো শুধু অর্থ মন্ত্রণালয়ের নীতিগত সিদ্ধান্ত নয়; এর প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ে ব্যবসা, বিনিয়োগ, ব্যাংক, জ্বালানি এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ের ওপর। সবচেয়ে বড় সমস্যা রাজস্বে নতুন কর্মসূচির ক্ষেত্রে সবচেয়ে কঠিন দর-কষাকষি হতে পারে রাজস্ব নিয়ে। বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের সমস্যা অর্থনীতির আকারের তুলনায় কর আদায় অত্যন্ত কম। ফলে সরকারের হাতে উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা ও জনসেবায় ব্যয় করার মতো নিজস্ব অর্থ সীমিত। আইএমএফ-এর দৃষ্টিতে এ সমস্যার সমাধান ছাড়া অর্থনীতিকে টেকসই ভিত্তির ওপর দাঁড় করানো কঠিন। কিন্তু সরকারের জন্য সমস্যা হলো, একই সময়ে ব্যয় বাড়ছে। জ্বালানি, বিদ্যুৎ, সরকারি কর্মচারীদের বেতন, সামাজিক সুরক্ষা এবং বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে অতিরিক্ত অর্থ প্রয়োজন। অথচ সেই তুলনায় রাজস্ব বাড়ছে না। ফলে সরকার যদি আইএমএফের শর্ত অনুযায়ী দ্রুত রাজস্ব বাড়াতে চায়, তাহলে করের বোঝা বাড়ানোর ঝুঁকি আছে। আবার কর ছাড় দিয়ে ব্যবসা-বিনিয়োগ বাড়ানোর চেষ্টা করলে রাজস্ব ঘাটতি আরও বাড়তে পারে। এই দ্বন্দ্বের সমাধানই হবে নতুন কর্মসূচির আলোচনায় সরকারের অন্যতম বড় পরীক্ষা। ব্যাংক খাতে কঠিন সংস্কার বাংলাদেশের অর্থনীতির আরেকটি বড় দুর্বলতা ব্যাংক খাত। খেলাপি ঋণ, দুর্বল ব্যাংক, মূলধন ঘাটতি, তারল্য সংকট এবং সুশাসনের ঘাটতি দীর্ঘদিনের সমস্যা। আইএমএফও জুলাইয়ের পর্যালোচনায় ব্যাংকিং খাতে উচ্চমাত্রার চাপের কথা বলেছে এবং একটি বিশ্বাসযোগ্য পুনর্গঠন কৌশলের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছে। সরকারের জন্য এটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর জায়গা। কারণ ব্যাংক খাত সংস্কারের অর্থ শুধু নিয়ম পরিবর্তন নয়। এর অর্থ হতে পারে দুর্বল ব্যাংকের পুনর্গঠন, একীভূতকরণ, মূলধন পুনর্গঠন, খেলাপি ঋণের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা এবং পরিচালনায় পরিবর্তন। এসব সিদ্ধান্ত যতটা অর্থনৈতিক, ততটাই রাজনৈতিক। ফলে নতুন কর্মসূচিতে আইএমএফ শুধু ‘সংস্কার করা হবে’ —এমন প্রতিশ্রুতি চাইবে না; কত দিনে, কীভাবে এবং কী ফল পাওয়া যাবে, তারও হিসাব চাইতে পারে। ভর্তুকির বোঝা কতটা কমানো সম্ভব? জ্বালানি খাতে সরকারের ব্যয়ও নতুন ঋণ আলোচনায় বড় বিষয় হয়ে উঠতে পারে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি ও পণ্যের দাম বাড়লে বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর দেশের ওপর সরাসরি চাপ পড়ে। বিদ্যুৎ উৎপাদন, এলএনজি আমদানি ও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকারের বিপুল অর্থ প্রয়োজন হয়। সরকার ইতোমধ্যে তিন দফা জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে। এর ফলে ভর্তুকির চাপ কিছুটা কমতে পারে। কিন্তু বিদ্যুৎ, গ্যাস ও এলএনজির ক্ষেত্রে বড় ধরনের ভর্তুকি কমানো হলে তার প্রভাব পড়বে উৎপাদন খরচ ও ভোক্তা পর্যায়ের দামে। অন্যদিকে ভর্তুকি ধরে রাখলে বাজেটের ওপর চাপ বাড়বে। এখানে সরকারের রাজনৈতিক অগ্রাধিকার ও আইএমএফের অর্থনৈতিক যুক্তির মধ্যে সংঘাত তৈরি হওয়ার আশঙ্কাই বেশি। ‘নিজের পায়ে দাঁড়ানো’ কতটা সম্ভব? অর্থমন্ত্রী আইএমএফের ঋণের পরিবর্তে পুঁজিবাজার ও বন্ড মার্কেট থেকে অর্থ সংগ্রহের কথা বলেছেন। দীর্ঘমেয়াদে এটি অবশ্যই একটি ইতিবাচক লক্ষ্য। একটি অর্থনীতি যদি নিজস্ব পুঁজিবাজার, বন্ড মার্কেট, কর রাজস্ব, রপ্তানি আয় ও বিদেশি বিনিয়োগের ওপর দাঁড়িয়ে উন্নয়ন ব্যয় মেটাতে পারে, তাহলে বহুপাক্ষিক ঋণের ওপর নির্ভরতা কমানো সম্ভব। কিন্তু বর্তমান প্রশ্নটি হলো, বাংলাদেশ কি এখনই সেই জায়গায় পৌঁছেছে? আইএমএফের অর্থের গুরুত্ব শুধু ঋণের অঙ্কে সীমাবদ্ধ নয়। একটি আইএমএফ কর্মসূচি আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী ও অন্যান্য ঋণদাতার কাছেও একটি দেশের অর্থনৈতিক নীতি ও সংস্কারের বিশ্বাসযোগ্যতার সংকেত হিসেবে কাজ করে। ফলে আইএমএফের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হলে তার প্রভাব শুধু একটি ঋণের ওপর পড়বে না; বিশ্বব্যাংক, এডিবি কিংবা অন্য উন্নয়ন সহযোগীদের অর্থায়ন এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থার ওপরও প্রভাব পড়তে পারে। এটাই সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় বাস্তব ঝুঁকি। ব্যাংককের বৈঠকেই কি অবস্থান পরিষ্কার হবে? আগামী ১২ থেকে ১৮ অক্টোবর ব্যাংককে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপের বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত হবে। আইএমএফের ২০২৬ বার্ষিক সভার তথ্য বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেওয়ার কথা অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর। সভাটির গুরুত্ব এখানেই যে, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সেখানে নতুন কর্মসূচি নিয়ে অবস্থান পরিষ্কার করার সুযোগ থাকবে। সরকার যদি সত্যিই নতুন ঋণ কর্মসূচি বাতিল করে থাকে, তাহলে ব্যাংককে সেটির আনুষ্ঠানিক প্রতিফলন দেখা যাওয়ার কথা। আর যদি সরকার নতুন কর্মসূচি চায়, তবে আলোচনার মূল বিষয় হবে, কোন শর্তে বাংলাদেশ সেই ঋণ নেবে। অর্থাৎ ব্যাংককের বৈঠক শুধু ঋণের পরিমাণ নির্ধারণের বিষয় নয়; এটি হবে সরকারের অর্থনৈতিক দর্শন এবং আইএমএফের সংস্কার কাঠামোর মধ্যে সমঝোতার পরীক্ষা। এরপর ঢাকায় আইএমএফ ব্যাংককের সভার পর বাংলাদেশে আইএমএফের প্রতিনিধি দলের আসার বিষয়টি এই পুরো ঘটনাপ্রবাহকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। কারণ, কোনো কর্মসূচি পুরোপুরি বাতিল হয়ে গেলে সাধারণত তার পরবর্তী পর্যায়ের ঋণ কর্মসূচি নিয়ে নিয়মিত মিশন পরিচালনার প্রয়োজন থাকে না। বাংলাদেশে নতুন করে মিশন এলে সেটি হবে শক্তিশালী ইঙ্গিত যে আলোচনা পুরোপুরি শেষ হয়নি। সেই মিশনে রাজস্ব, ব্যাংকিং খাত, ভর্তুকি, মূল্যস্ফীতি, বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা এবং আগের কর্মসূচির অসম্পন্ন বিষয়গুলো সামনে আসবে। সরকারের জন্য তখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে, নিজস্ব অর্থনৈতিক পরিকল্পনার সঙ্গে আইএমএফের সংস্কার পরিকল্পনার কতটা সমন্বয় করা যায়। আসল লড়াই টাকা নিয়ে নয়, শর্ত নিয়ে বাংলাদেশের সামনে তাই এখন প্রশ্নটি শুধু ‘আইএমএফের টাকা নেবে কি নেবে না’ এমন নয়। আসল প্রশ্ন হলো, বাংলাদেশ কী শর্তে আইএমএফের টাকা নেবে এবং সেই শর্ত কতটা নিজের মতো করে নিতে পারবে। সরকার চাইছে সংস্কার হবে, কিন্তু ধাপে ধাপে। অর্থনীতির বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে। একসঙ্গে কর বাড়ানো, ভর্তুকি কমানো কিংবা ব্যাংক খাতে বড় ধরনের পরিবর্তনের বদলে সময় নিয়ে এগোতে চায় সরকার। আইএমএফের অবস্থান অন্য জায়গায়, সংস্কার শুধু ঘোষণায় থাকলে হবে না, তার বাস্তব ফলও দেখতে হবে। এই দুই অবস্থানের মধ্যেই হবে মূল দর-কষাকষি। ঋণ না নেওয়ার ঝুঁকি, ঋণ নেওয়ারও মূল্য আইএমএফের ঋণ না নেওয়া নিজে কোনো ব্যর্থতা নয়। বরং কোনো দেশ যদি নিজস্ব রাজস্ব ও পুঁজিবাজারের সক্ষমতা দিয়ে অর্থনীতির প্রয়োজন মেটাতে পারে, সেটিই দীর্ঘমেয়াদে বেশি শক্তিশালী অবস্থান। কিন্তু সেই সক্ষমতা তৈরি হওয়ার আগেই আইএমএফের অর্থ থেকে সরে গেলে প্রশ্ন উঠবে, বিকল্প অর্থের উৎস কতটা প্রস্তুত? বাংলাদেশের বর্তমান বাস্তবতায় বৈদেশিক মুদ্রার প্রয়োজন, জ্বালানি আমদানি, বাজেট ঘাটতি, ব্যাংক খাতের দুর্বলতা এবং কম রাজস্ব আহরণ—সবকিছু মিলিয়ে সরকারের আর্থিক চাপ কম নয়। অন্যদিকে আইএমএফের ঋণ নিলেও তার মূল্য আছে। সংস্কার করতে হবে, কিছু ক্ষেত্রে ব্যয় কমাতে হবে, করের আওতা বাড়াতে হবে এবং রাজনৈতিকভাবে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অর্থাৎ দুই পথেই মূল্য দিতে হবে। একদিকে আইএমএফের ঋণ নিলে শর্ত মানার চাপ, অন্যদিকে ঋণ না নিলে বিকল্প অর্থের উৎস তৈরির চাপ। অর্থনীতিবিদদের মতে, নতুন ঋণ বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার চাপ ও বাজেট ব্যবস্থাপনায় সাময়িক স্বস্তি দিতে পারে। কিন্তু ঋণ দিয়ে অর্থনীতির মৌলিক দুর্বলতা দূর করা সম্ভব নয়। বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ অফিসের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন মনে করেন, নতুন ঋণের অর্থ কোন খাতে ব্যবহার হবে এবং রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত কীভাবে বাড়ানো হবে, সে বিষয়ে সরকারের সুস্পষ্ট পরিকল্পনা থাকতে হবে। সিপিডির সম্মানীয় ফেলো ড. মুস্তাফিজুর রহমানের মতে, নতুন আইএমএফ কর্মসূচি প্রয়োজনীয় সংস্কার এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি করতে পারে। তবে শুধু ঋণ পাওয়ার জন্য নয়, দেশের নিজস্ব অর্থনৈতিক প্রয়োজনেই রাজস্ব, ব্যাংকিং খাত ও বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় কাঠামোগত সংস্কার করতে হবে। শেষ পর্যন্ত কী হতে পারে? বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে সম্ভাব্য চিত্র হলো, বাংলাদেশ আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা পুরোপুরি বন্ধ না করে নতুন কর্মসূচির শর্ত নিয়

আবুধাবি টেস্ট: প্রথম দিনে বাংলাদেশের ৩১৭ রান

আবুধাবি টেস্ট: প্রথম দিনে বাংলাদেশের ৩১৭ রান

আবুধাবিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের প্রথম দিন শেষে ৮ উইকেটে ৩১৭ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও সাদমান ইসলামের ব্যাটে দারুণ সূচনা করলেও পরবর্তীতে দ্রুত উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়েছিলো সফরকারীরা। ৮৪ ওভার ব্যাটিং করে প্রথম দিনের খেলা শেষ করলো তারা। ম্যাচের শুরুতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে উদ্বোধনী জুটিতে ১২৪ রান তোলেন তানজিদ ও সাদমান। আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করা তানজিদ মাত্র ৭১ বলে ৮৩ রান করে সাজঘরে ফেরেন। তাঁর এই ইনিংসে ছিলো ৮টি চার ও ৬টি ছক্কা। সেঞ্চুরির কাছে গিয়েও ইসমত আলমের বলে উইকেটকিপার ইকরাম আলিখিলের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। অন্য প্রান্তে ধৈর্যশীল ব্যাটিং করা সাদমান ইসলাম ১১১ বলে ৭টি চারে ৬৭ রান করে মোহাম্মদ সালিমের বলে আউট হন। দুই ওপেনারের বিদায়ের পর মুমিনুল হকের সঙ্গে ৬০ রানের জুটি গড়েন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে মুমিনুল ৭০ বলে ৩৯ রান করে বিদায় নেওয়ার পর দ্রুত উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। মুশফিকুর রহিম কোনো রান না করেই সাজঘরে ফেরেন এবং শান্ত করেন ২৯ রান। দলীয় ২০০ রান পার হওয়ার পর মাত্র ৪ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়েছিলো দল। ষষ্ঠ উইকেটে মেহেদী হাসান মিরাজকে সঙ্গে নিয়ে বিপর্যয় সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন লিটন দাস। মিরাজ ২৪ রান করে আউট হলে এই জুটি ভেঙে যায়। এরপর ফিফটি তুলে নেওয়া লিটন ৮৭ বলে ৫৩ রান করে মোহাম্মদ সালিমের শিকার হন। শেষ দিকে হাসান মাহমুদও দ্রুত বিদায় নেন। দিন শেষে নাঈম হাসান ১১ ও তাইজুল ইসলাম ৪ রান নিয়ে অপরাজিত আছেন। আফগানিস্তানের পক্ষে মোহাম্মদ সালিম ৩টি উইকেট নেন। //আইই//

ম্যারাডোনার ব্যক্তিগত চিকিৎসকের ১২ বছরের কারাদণ্ড চাইলো রাষ্ট্রপক্ষ

ম্যারাডোনার ব্যক্তিগত চিকিৎসকের ১২ বছরের কারাদণ্ড চাইলো রাষ্ট্রপক্ষ

ফুটবল কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনার মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক লিওপোল্ড লুকের সর্বোচ্চ ১২ বছরের কারাদণ্ড চেয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা। আর্জেন্টিনার আদালতে মামলার চূড়ান্ত যুক্তিতর্কে এ আবেদন জানানো হয়। ম্যারাডোনার চিকিৎসায় যুক্ত ৭ জন স্বাস্থ্যকর্মীর বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ আনা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে অন্যদের ৪ থেকে ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড চেয়েছেন আইনজীবীরা। রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, অস্ত্রোপচারের পর ম্যারাডোনাকে হাসপাতালে না রেখে তিগ্রের একটি ভাড়া বাসায় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছিলো। সেখানে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসামগ্রী ও জরুরি সেবার ব্যবস্থা ছিলো না। মৃত্যুর আগে তাঁর শরীরে গুরুতর অসুস্থতার লক্ষণ দেখা গেলেও চিকিৎসকেরা যথাযথ ব্যবস্থা নেননি বলে অভিযোগ রয়েছে। আসামিরা তাঁদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ১৯৮৬ সালে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জেতানো ম্যারাডোনা ২০২০ সালের ২৫ নভেম্বর ৬০ বছর বয়সে মারা যান। মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের প্রায় দুই সপ্তাহ পর তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে ৭ জন স্বাস্থ্যকর্মীর বিচার চলছে। //আইই//

ফুলহাম একাডেমির বর্ষসেরা ফুটবলার বাংলাদেশের ফারহান

ফুলহাম একাডেমির বর্ষসেরা ফুটবলার বাংলাদেশের ফারহান

ইংলিশ ক্লাব ফুলহামের একাডেমিতে বছরের সেরা ফুটবলারের সম্মান পেলেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের তরুণ উইঙ্গার ফারহান আলী ওয়াহিদ। সতীর্থ ও কোচিং স্টাফদের ভোটে ১৯ বছর বয়সী এই ফুটবলার ‘জনি হেইনস ট্রফি’ জিতেছেন। ক্লাবটির অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে সম্প্রতি বিজয়ী হিসেবে তাঁর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে। চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে ফুলহামের অনুশীলনকেন্দ্র মোটসপুর পার্কে ফারহানের হাতে ট্রফিটি তুলে দেয় ফুলহাম সাপোর্টার্স ট্রাস্ট। একাডেমি থেকে উঠে আসা সেরা তরুণ ও উদীয়মান ফুটবলারকে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়ে থাকে। সম্প্রতি লাল-সবুজের জার্সিতে অভিষেক হওয়া ফারহানের জন্ম ও বেড়ে ওঠা লন্ডনে হলেও তাঁর মূল পারিবারিক শিকড় সিলেটে। চেলসি একাডেমিতে ফুটবলে হাতেখড়ি হওয়ার পর ২০১৯ সালে তিনি ফুলহামের যুবদলে যোগ দিয়েছিলেন। গত মৌসুমে অনূর্ধ্ব-২১ প্রিমিয়ার লিগ টু'তে দুর্দান্ত পারফর্ম করেন ফারহান। ২১টি ম্যাচ খেলে সরাসরি ১৭টি গোলে অবদান রেখে ফুলহামকে পয়েন্ট তালিকার ৪ নম্বরে তুলতে তিনি ভূমিকা রেখেছিলেন। ওই পারফরম্যান্সের সুবাদে গত নভেম্বরে যুব লিগের মাসসেরা খেলোয়ার নির্বাচিত হয়েছিলেন এই তরুণ। বর্তমানে তিনি ধারে ইংলিশ ফুটবলের পঞ্চম স্তরের দল বোরহাম উডের হয়ে খেলছেন। ইতোমধ্যে ৪টি ম্যাচে মাঠে নেমেছেন তিনি। ক্লাব ফুটবলের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মঞ্চেও ফারহানের পথচলা শুরু হয়েছে বেশ চমৎকারভাবে। সম্প্রতি আসিয়ান কাপে ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম গোলটি করেন তিনি। ফুলহামের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে এই অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে ফারহান বলেছেন, দেশের প্রতিনিধিত্ব করা আমার জন্য সত্যিই দারুণ এক ব্যাপার ছিলো। এটি আমার ও আমার পরিবারের জন্য অত্যন্ত গর্বের একটি মুহূর্ত। দলের হয়ে একটি গোল করতে পেরে আমি আনন্দিত। সতীর্থদের ভোটে ক্লাবের সেরা হওয়ার পর অনুভূতি প্রকাশ করে ফারহান জানিয়েছেন, এই পুরস্কারের জন্য সতীর্থদের ভোট পাওয়াটা দারুণ ব্যাপার, অত্যন্ত তৃপ্তিদায়ক অনুভূতি। সতীর্থদের ছাড়া আমি এটি অর্জন করতে পারতাম না। তারাই মানদণ্ড ঠিক করে দেয়, অনুপ্রেরণা জোগায় ও প্রতিযোগিতাপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করে, যা আমাকে ভালো খেলোয়াড় হয়ে উঠতে সাহায্য করেছে। //আইই//

৫ সপ্তাহ পর ফিরেই নেইমারের চমক, ফ্লামিঙ্গোর সঙ্গে ড্র করলো সান্তোস

৫ সপ্তাহ পর ফিরেই নেইমারের চমক, ফ্লামিঙ্গোর সঙ্গে ড্র করলো সান্তোস

২-০ গোলে পিছিয়ে থেকেও নেইমার জুনিয়রের জোড়া গোলে ফ্লামিঙ্গোর সঙ্গে ২-২ সমতায় ড্র করলো সান্তোস। চোট কাটিয়ে ৫ সপ্তাহ পর মাঠে ফিরেই দুই গোল করে দলকে পয়েন্ট এনে দিলেন এই ব্রাজিলিয়ান তারকা। ঘরের মাঠে প্রথমার্ধেই ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়েছিলো সান্তোস। ম্যাচের ৪৩তম মিনিটে অতিথি দল ফ্লামিঙ্গোকে এগিয়ে নেন দানিলো। এরপর প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে (৪৯ মিনিট) লুকাস পাকেতার গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ হয়। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ফিলিপে কুতিনহোর জায়গায় মাঠে নামেন নেইমার। চোটের কারণে প্রায় পাঁচ সপ্তাহ মাঠের বাইরে ছিলেন তিনি। সান্তোসকে প্রথম গোল পেতে অপেক্ষা করতে হয় ৮২তম মিনিট পর্যন্ত। ভিএআর পর্যালোচনার পর পাওয়া পেনাল্টি থেকে ব্যবধান কমান নেইমার। ওই ফাউলের ঘটনায় জর্জিনহো লাল কার্ড দেখলে ১০ জনের দলে পরিণত হয় ফ্লামিঙ্গো। এরপর ৮৮তম মিনিটে স্বাগতিক সান্তোস দ্বিতীয় পেনাল্টি পায়। সফল স্পট কিকে জোড়া গোল পূর্ণ করার পাশাপাশি স্কোরলাইন ২-২ সমতায় ফেরান নেইমার। শেষ পর্যন্ত সমতায় ড্র রেখে মাঠ ছাড়ে দুই দল। এই ড্রয়ের ফলে ব্রাজিলিয়ান সিরি আ’তে ২৯ ম্যাচে ১১ জয়, ৯ ড্র ও ৯ হারে ৪২ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের ৮ নম্বরে রয়েছে সান্তোস। সমান ম্যাচে ১৮ জয়, ৭ ড্র ও ৪ হারে ৬১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে ফ্লামিঙ্গো। ৬০ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে পালমেইরাস ও ৫১ পয়েন্ট নিয়ে ৩ নম্বরে রয়েছে ফ্লুমিনেন্স। //আইই//

After Sports
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে এডিস মশাবাহিত এই জ্বরে আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৯৩৫ জন নতুন রোগী। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ঢাকা বিভাগে ৩ জন এবং খুলনা বিভাগে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন আক্রান্তদের নিয়ে চলতি বছরে দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৪ হাজার ১৫১ জনে। আর এই বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত মোট ২৯৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে ইতোমধ্যে ৮৮ হাজার ২০৮ জন ডেঙ্গু রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২ হাজার ৫৭ জন রোগী। চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম ২৪ দিনেই ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৪৯ জনের মৃত্যু হলো। //আইই//

রিয়াদ বিমানবন্দরে হুথিদের হামলা, ৩ সৌদি নাগরিক নিহত

রিয়াদ বিমানবন্দরে হুথিদের হামলা, ৩ সৌদি নাগরিক নিহত

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং সৌদি এয়ারলাইন্সের একটি উড়োজাহাজে ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবারের (৯ অক্টোবর) এই হামলায় এক পাইলটসহ দেশটির ৩ নাগরিক নিহত হয়েছেন। এ সময় বিভিন্ন দেশের নাগরিকসহ আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তুরস্কের সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সির বরাতে শুক্রবার সৌদি কর্তৃপক্ষের এই তথ্য জানানোর বিষয়টি সামনে এসেছে। সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানায়, প্রথম হামলাটি বিমানবন্দরের অবকাঠামো লক্ষ্য করে করা হয়েছিলো। দ্বিতীয় হামলাটি সরাসরি দেশটির রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা সৌদি এয়ারলাইন্সের একটি উড়োজাহাজে আঘাত হানে। হামলায় নিহত ৩ জনের সবাই সৌদি আরবের নাগরিক, যাদের মধ্যে একজন বিমানের পাইলটও ছিলেন। হামলার পর সাময়িকভাবে বিমান চলাচল বিঘ্নিত হলেও ইতোমধ্যে বিমানবন্দরে কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়েছে। বর্তমানে রিয়াদের ওই বিমানবন্দরে বিমান চলাচল স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এই হামলার জন্য সরাসরি কারা দায়ী, তা সৌদি কর্তৃপক্ষ তাদের বিবৃতিতে উল্লেখ করেনি। তবে ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথিরা রিয়াদের বিমানবন্দরে হামলার দাবি করেছে। ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী ও হুথিদের মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরুর প্রেক্ষাপটে এই হামলার ঘটনাটি ঘটলো। //আইই//

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে এডিস মশাবাহিত এই জ্বরে আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৯৩৫ জন নতুন রোগী। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ঢাকা বিভাগে ৩ জন এবং খুলনা বিভাগে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন আক্রান্তদের নিয়ে চলতি বছরে দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৪ হাজার ১৫১ জনে। আর এই বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত মোট ২৯৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে ইতোমধ্যে ৮৮ হাজার ২০৮ জন ডেঙ্গু রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২ হাজার ৫৭ জন রোগী। চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম ২৪ দিনেই ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৪৯ জনের মৃত্যু হলো। //আইই//

After Lifestyle
আন্টার্কটিকায় গলছেই বরফ, সমুদ্রের জলস্তর বাড়তে পাওে ৬-১০ ইঞ্চি

আন্টার্কটিকায় গলছেই বরফ, সমুদ্রের জলস্তর বাড়তে পাওে ৬-১০ ইঞ্চি

আন্টার্কটিকার বরফক্ষয় বিশ্ব জুড়ে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে, যার প্রভাব পড়ে সমুদ্রতীরবর্তী দেশগুলির উপকূলে। বিজ্ঞানীদের দাবি, আন্টার্কটিকার স্থলভাগের বরফের ভর কমে যাওয়ায় সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ছে। নতুন বরফ তৈরি হওয়ার সঙ্গে গলনের ভারসাম্য নেই। পরিস্থিতি এমন চলতে থাকলে পরিস্থিতিভেদে ২১০০ সালের মধ্যে আন্টার্কটিকার বরফক্ষয়ের কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা কতটা বাড়তে পারে, তারও পূর্বাভাস দিয়েছে গবেষণাটি। হংকঙের সিটি ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ইউচেং লিন আন্টার্কটিকা সংক্রান্ত এই গবেষণার নেতৃত্ব দিয়েছেন। গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে নেচার জিয়োসায়েন্স জার্নালে।

Environment Sidebar

অনলাইন জরিপ

কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরাসরি কৃষক বাজার চালুর উদ্যোগকে আপনি কতটা কার্যকর মনে করেন?

হ্যাঁ৫
না০
মন্তব্য নেই১

মোট ভোট: ৬

After Media Galleries
Namaz
ফজর --:--
জোহর --:--
আসর --:--
মাগরিব --:--
ইশা --:--

ঢাকা

Prayer Times Sidebar