Home - Header Banner

১৪ আশ্বিন ১৪৩৩, ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

Home - Before Lead
After Lead
After Sports
After Lifestyle
‘বিস্ময়কর’ এল নিনোতে সাড়ে ৪ লাখ মৃ/ত্যু/র ঝুঁকি, শীর্ষে যে দুই দেশ

‘বিস্ময়কর’ এল নিনোতে সাড়ে ৪ লাখ মৃ/ত্যু/র ঝুঁকি, শীর্ষে যে দুই দেশ

আগামী ৬ মাসে শক্তিশালী এল নিনোর কারণে তীব্র তাপদাহে বিশ্বজুড়ে চার লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছেন জলবায়ু বিজ্ঞানীরা। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ইতোমধ্যে বেড়ে যাওয়া বৈশ্বিক তাপমাত্রার সঙ্গে যোগ হতে যাচ্ছে এই অতিরিক্ত প্রাণহানি। জলবায়ু সংকট ও এল নিনোর যৌথ প্রভাবে ভারত, ইন্দোনেশিয়া, নাইজেরিয়া থেকে শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র পর্যন্ত এই তীব্র ঝুঁকির মুখে পড়েছে। গবেষকদের মতে, এই মৃত্যুর উচ্চ হার সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। অতিরিক্ত তাপে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়তে যাচ্ছে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় দেশ নাইজেরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সুদান, ভারত এবং ব্রাজিল। এছাড়া সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ২০টি দেশের তালিকায় থাকা যুক্তরাষ্ট্রেও প্রায় তিন হাজার ৫০০ অতিরিক্ত তাপজনিত মৃত্যুর পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। আফ্রিকায় সাহেল অঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতেও পরিস্থিতি মারাত্মক হতে পারে। শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাইমেট ইমপ্যাক্ট ল্যাবের সহপ্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক মাইকেল গ্রিনস্টোন বলেন, "চার লাখ ৫১ হাজার মানুষের এই সংখ্যাটা এতটাই বড় যে এটা অনুভূতিশূন্য মনে হতে পারে। তবে এর মধ্যে আছেন বাবা-মা এবং সন্তানেরা, দাদা-দাদি এবং প্রতিবেশীরা, কর্মস্থলে যাওয়া মানুষ, পরিবারের যত্ন নেওয়া মানুষ, নিজেদের জীবনযাপন করা মানুষেরা।" বিশ্বের ২৪ হাজার ৩৭৮টি অঞ্চলের আবহাওয়া ও তাপজনিত মৃত্যুর তথ্য পর্যালোচনা করে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। প্রতিবেদনের আরেক সহলেখক ড. তাম্মা কার্লেটন বলেন, জরুরি প্রতিক্রিয়া বাড়ানো গেলে এই বছর অনেক প্রাণ বাঁচানো সম্ভব। ২০ বছর পর যখন চরম তাপমাত্রা স্বাভাবিক ঘটনা হয়ে দাঁড়াবে, তখন যেন বিশ্বকে প্রতিনিয়ত জরুরি অবস্থায় থাকতে না হয়, সেজন্য এখনই পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। বৈশ্বিক উষ্ণায়নের সঙ্গে এল নিনো যুক্ত হওয়াকে জলবায়ু ব্যবস্থায় শক্তির বড় ধরনের বিপজ্জনক পুনর্বণ্টন হিসেবে দেখছেন বিজ্ঞানীরা। খাদ্য সুরক্ষাতেও এল নিনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। আগস্টে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি সতর্ক করে জানায়, এল নিনোর প্রভাবে বিশ্বজুড়ে প্রায় পাঁচ কোটি মানুষ চরম ক্ষুধার মুখোমুখি হতে পারেন। এর আগে ১৮৭৭-৭৮ সালের শক্তিশালী এল নিনোর সময়ে তৈরি খরা ও দুর্ভিক্ষে ভারত, ব্রাজিল ও চীনে সাড়ে পাঁচ কোটির বেশি মানুষ মারা গিয়েছিলো। //আইই//

Environment Sidebar

অনলাইন জরিপ

কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরাসরি কৃষক বাজার চালুর উদ্যোগকে আপনি কতটা কার্যকর মনে করেন?

হ্যাঁ৫
না০
মন্তব্য নেই১

মোট ভোট: ৬

After Media Galleries
Namaz
ফজর --:--
জোহর --:--
আসর --:--
মাগরিব --:--
ইশা --:--

ঢাকা

Prayer Times Sidebar